Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

১০ দল, ৭৪টি ম্যাচ! কেমন হবে ২০২২ আইপিএলের নয়া সংস্করণ? জেনে নিন

1 min read

|| প্রথম কলকাতা ||

রুদ্ধশ্বাস প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে গতকাল নয়া দুই আইপিএল দলের নাম ঘোষণা করেছে বিসিসিআই। দুবাইয়ের নিলাম যুদ্ধে চোখ কপালে তোলা অর্থের বিনিময়ে নয়া দুই ফ্র‍্যাঞ্চাইজির মালিকানা পেয়েছে আরপি-সঞ্জীব গোয়েঙ্কা গ্রুপ ও সিভিসি ক্যাপিটাল। ৭০৯০ কোটি টাকার সর্বোচ্চ বিড করে লখনউ ফ্র‍্যাঞ্চাইজির মালিকানা পেয়েছেন গোয়েঙ্কারা। অন্যদিকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিড অর্থাৎ ৫৬২৫ কোটি টাকার বিনিময়ে আহমেদাবাদ ফ্র‍্যাঞ্চাইজির মালিক সিভিসি ক্যাপিটাল।

বিসিসিআইয়ের ইনভাইটেশান ডকুমেন্ট থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী নিলামোত্তর নিয়মাবলী পালন করলে ২০২২ আইপিএল থেকেই নতুন দুটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজি প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। বর্তমানে ৮ দলের প্রতিযোগিতাটি সেক্ষেত্রে ১০ দলের হয়ে যাবে। ম্যাচের সংখ্যা বেড়ে হবে ৭৪টি, প্রতিটি দল ৭টি হোম ও ৭টি অ্যাওয়ে ম্যাচ খেলবে।

বিভিন্ন সূত্র মারফত জানা গিয়েছিল নতুন দুই দলের মালিকানা বাবদ ৭,০০০ – ১০,০০০ কোটি টাকা পাওয়ার আশা রেখেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। গতকাল দুবাইয়ের নিলামে সেই অঙ্ক পেরিয়ে যায়। এমন লক্ষ্মীলাভে বেজায় উৎফুল্ল বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গাঙ্গুলি। তিনি বলেন – ” ইন্ডিয়ান সুপার লিগের পরবর্তী সংস্করণে নতুন দুইটি দলকে স্বাগত জানাতে পেরে বিসিসিআই ভীষণ খুশি। আমি আরপিএসজি ভেঞ্চার্স লিমিটেড ও আইরেলিয়া কোম্পানী প্রাইভেট লিমিটেড ( সিভিসি ক্যাপিটাল)কে অভিনন্দন জানাই। আইপিএল এখন ভারতের নতুন দুটি শহরে (আহমেদাবাদ, লখনউ) পৌঁছে গেল। নিলামে দুটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজির ভ্যালুয়েশানই ভারতীয় ক্রিকেট ইকোসিস্টেমের আর্থিক শক্তির পরিচয় দেয়। আইপিএলের মোটো – যেখানে প্রতিভা সুযোগের সন্ধান পায়।

নতুন দুটি ফ্র‍্যাঞ্চাইজির যোগদানে আরো অনেক ঘরোয়া ক্রিকেটার সর্বোচ্চ মঞ্চে নিজেদের প্রতিভা প্রদর্শণের সুযোগ পাবে। ইনভাইটেশন টু টেন্ডার প্রক্রিয়ায় ভারতের বাইরের দুই বিনিয়োগকারীর অংশ নেওয়াই আইপিএলের বিশ্বজোড়া আবেদনকেই প্রমাণ করে। ক্রিকেটের বিশ্বায়ন প্রক্রিয়ায় বড়ো ভূমিকা নেবে আইপিএল। আমি ২০২২ সংস্করণের জন্যে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি। “

গতকাল বিসিসিআইয়ের চূড়ান্ত নিলামে অংশগ্রহন করে নয়টি সংস্থা। যার মধ্যে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের মালিক গ্লেজার পরিবার, আদানি গ্রুপ, টরেন্ট স্পোর্টস, হিন্দুস্থান মিডিয়ার মতো বড়ো নামও ছিল। ৫১০০ কোটি টাকার বিড করেও দল পেতে ব্যর্থ গৌতম আদানিরা। অন্যদিকে গ্লেজার পরিবারের বিড ছিল ৪১২৮ কোটি টাকার।