Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

শান্তিপুরে বিজেপিকে ডুবিয়ে দেব! হুংকার ব্রাত্য বসু’র

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

ডুবু ডুবু শান্তিপুর, নদে ভেসে যায়! কবির লাইন ধার করে আজ, সোমবার শান্তিপুর উপনির্বাচনের তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী’র সমর্থনে ব্রাত্য বসু হুংকার দিলেন, “শান্তিপুরে বিজেপি’কে ডুবিয়ে দেব।“ পাশাপাশি তিনি উদাহরণ দেন, বিদ্যাসাগর যখন বিধবা বিবাহের সমর্থন চেয়েছিলেন তখন সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষ যারা বিদ্যাসাগরকে সমর্থন করে নিজের স্বাক্ষর পাঠিয়েছিলেন তাঁরা হলেন শান্তিপুরের মানুষ। তাই শান্তিপুরের মানুষকে তিনি ‘আধুনিক’ বলে সম্মানিত করে বলেন, এখানে বিজেপি’র মতো সাম্প্রদায়িক দলের কোনো স্থান নেই।

একুশের বিধানসভায় যদিও শান্তিপুর কেন্দ্রে বিজেপি জয়লাভ করে। কিন্তু সাংসদ পদ বজায় রাখতে বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন জগন্নাথ সরকার। সেই কারণে শান্তিপুরে ফের একবার উপনির্বাচন হতে চলেছে। এবারের তৃণমূল প্রার্থী ব্রজকিশোর গোস্বামী। সোমবার সন্ধ্যায় শান্তিপুরে দলীয় প্রার্থীর হয়ে প্রচারে করতে এসে বিদ্যাসাগর, রবীন্দ্রনাথ, যতীন্দ্রমোহন বাগচী, শান্তিপুরের ছেলে বিখ্যাত ঔপন্যাসিক দামোদর মুখোপাধ্যায়ের নাম উল্লেখ করে সম্পূর্ণ নাটকীয় ভঙ্গিতে দলীয় প্রার্থীর হয়ে ভোট প্রচার সারলেন শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল নেতা ব্রাত্য বসু। নদীয়ার শান্তিপুরের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে অনেক ইতিহাস। তাই শান্তিপুর থেকে ব্রজকিশোর গোস্বামীকে এবার বিধানসভায় পাঠানোর জন্য মানুষের কাছে আবেদন জানান শিক্ষামন্ত্রী।

আজ ব্রাত্য বসু বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় না থাকলে এ রাজ্যে অনেক আগেই এনআরসি চালু করে দিত কেন্দ্র। শুধু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দাঁড়িয়ে আছেন বলে এনআরসি চালু করতে পারেনি। তা নাহলে মানুষদের টার্গেট করা হত। ধরে ধরে বার করে দেওয়া হত। তপশিলি জাতি ও উপজাতি মানুষেরা শুনলাম এর আগের বিধানসভায় বিজেপিকে ভোট দিয়েছিলেন। আমি বলব, ভুল করেছিলেন। এবার তৃণমূলকে ভোট দিন। শান্তিপুর থেকে একজন তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ককে বিধানসভায় পাঠান।“

অন্যদিকে আজ উত্তরবঙ্গ থেকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছেন আগামী ১৬ নভেম্বর থেকে স্কুল কলেজ খুলতে চলেছে। এ প্রসঙ্গে ব্রাত্য বলেন, “নিশ্চয় খোলা হবে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। স্কুলগুলিকে পরিকাঠামো উন্নতির জন্য প্রচুর টাকা দেওয়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বলে দেবার পর আমার আর নতুন করে কথা বলা সাজে না।“ শান্তিপুরে এসে বারবার বাংলাদেশের ঘটনাকে হাতিয়ার করছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, এ বিষয়ে তৃণমূল নেতার বক্তব্য, “বিজেপি একটা সাম্প্রদায়িক দল। নরেন্দ্র মোদী আসার পর একজন সংখ্যালঘুও মন্ত্রীত্ব পাননি। বাংলাদেশেও যেমন জামাত আছে আমাদের এখানেও বিজেপি আছে। শুভেন্দু কী বলছে তার ওপর নির্ভর করছে না।“

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ