Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

পড়াশোনার পরিবেশ না থাকলে সে দায় সরকারেরই, আরজি কর প্রসঙ্গে মন্তব্য সুজাত ভদ্রের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

আজ বাইশ দিন যাবদ কলকাতার খ্যাতানামা মেডিক্যাল কলেজ আরজি করের পড়ুয়ারা অনশনরত। বারংবার অনশনরত পড়ুয়াদের অনশন ভাঙাতে তৎপর হয়েছে আরজি কর কর্তৃপক্ষ। কিন্তু আখেড়ে কিছুই লাভ হয়নি। প্রিন্সিপ্যাল পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আমরণ অনশন চালিয়ে যাবেন পড়ুয়ারা, এমনটাই তাঁদের জেদ। আর এই পরিস্থিতিতে কার্যত বেহাল আরজি করের চিকিৎসা পরিষেবা।

সোমবার আরজি করের অচলাবস্থা সংক্রান্ত জনস্বার্থ মামলার শুনানি ছিল। সেখানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে কথার বলতে চাইছে আদালত। সমস্যার শিকড় যে ঠিক কোথায় তা জানার চেষ্টা করেন বিচারপতি দেবাংশু বসাক। তবে, মামলাকারীদের অভিযোগ, করোনা কালে এভাবে হাসপাতাল চত্বরে আন্দোলন চালানো যাবে না। আদালতও এই মর্মে সমর্থন জানালেও আন্দোলনের কারণ ও তার সুষ্ঠু সমাধানের পক্ষপাতী।

সোমবার আরজি করে অনশনরত পড়ুয়াদের সঙ্গে দেখা করতে যান মানবাধিকার কর্মী সুজাত ভদ্র। এদিন তিনি বলেন, “বহুদিন ধরে পড়ুয়াদের অসুবিধা আছে। তাঁদের দাবি ন্যায়সঙ্গত। প্রিন্সিপ্যাল তাঁর পদে থাকার যোগ্য নন। যারা কিছু দিন পর সমাজে অবদান রাখতে চলেছে তাঁদের পড়াশোনার পরিবেশ দেব না, এটা নিন্দার। দেব না উল্টে দমন পীড়ন করব, এরকমভাবে চলে না। সরকার যদি না শোনে তাহলে আমরা পড়ুয়াদের সমর্থন করব। প্রশাসনের উচিৎ দাবি মানা। পড়ুয়ারা অনশনে বসতে যাবে কেন? পড়ুয়ারা পড়াশোনার পরিবেশ না পেলে তা সরকারের দায়। ছাত্রছাত্রীরা প্রিন্সিপ্যালের কার্যকলাপের বিচার চায়।“

আন্দোলনকারী এক ছাত্র আজ জানান, “অনশন বাইশ দিন যাবদ হলেও এই বিক্ষোভ তিন-সাড়ে তিন মাসের। প্রিন্সিপ্যাল ছাত্রদের মেরেছেন, বুট দিয়ে মাড়িয়ে চলে গেছেন। আমাদের সাথে যে আচরণ তিনি করেছেন সেই কারণেই আজ এই বিক্ষোভ। সমস্যার সমাধান না করতে পেরে বারবার হুমকি দিয়েছেন তিনি। পড়ুয়াদের বাড়িতে পুলিশ পাঠিয়েছেন।“ প্রিন্সিপ্যালের পদত্যাগ ছাড়া এই আমরণ অনশনের কর্মসূচি থেকে তাঁরা একচুল নড়বেন না বলেই ফের একবার জানিয়ে দেন পড়ুয়াদের একাংশ।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ