Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

‘৩৭০ ধারা বাতিলের পরে শাসন ব্যবস্থার অবনতি জম্মু এবং কাশ্মীরে’: আজাদ

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

অমিত শাহর জম্মু এবং কাশ্মীর শফরের আজ তৃতীয় তথা শেষ দিন। রাজ্যটিতে ৩৭০ ধারা বাতিল করার পর থেকে এটাই প্রথম কোনও সফর দেশ্রে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এর মধ্যেই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও ও কংগ্রেস নেতা গুলাম নবি আজাদ বলেছেন, ‍‘আগস্ট ২০১৯ সালে সংবিধানের ৩৭০ অনুচ্ছেদ বাতিল হওয়ার পর জম্মু এবং কাশ্মীরের অর্ধ-স্বায়ত্তশাসিত মর্যাদা কেড়ে নিয়ে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করায় যেভাবে এখন শাসন চলছে, তার থেকে আগে আরও ভাল অবস্থায় ছিল রাজ্যটি।’ এদিকে, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, মঙ্গলবারই গুলাম নবি আজাদের বক্তব্যের মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে ৩৭০ ধারাকে ‍‘বৈষম্যমূলক’ বলে অভিহিত করেছেন। শাহ সেই সঙ্গে বলেন, এই ধারা বাতিল করার সঙ্গে সঙ্গে উন্নয়নের একটি নতুন যুগের সূচনা হয়েছে।

জম্মু এবং কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী গুলাম নবি আজাদ এএনআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে বলেন, ‍‘আমাদের বলা হয়েছিল ৩৭০ ধারা বাতিলের পর জম্মু এবং কাশ্মীরের দৃশ্যপট বদলে যাবে। প্রবৃদ্ধি, হাসপাতাল ও বেকারত্বের ক্ষেত্রে গুরুত্ব দেওয়া হবে। কিন্তু তা মোটেও হয়নি। প্রকৃতপক্ষে যখন আমরা বিভিন্ন মুখ্যমন্ত্রীর (আগস্ট ২০১৯-এর আগে) আমলে ছিলাম তখন অনেক ভাল ছিলাম। রাজ্যকে দু’টি (কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল) ভাগ করার পর আমরা বড় ক্ষতিগ্রস্ত। বিধানসভা ভেঙ্গে যাওয়ার পর থেকে আমরা ভীষণভাবে হেরে গিয়েছি।’ জম্মু এবং কাশ্মীরের অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতি কেন্দ্রের সমালোচনা করে জানিয়েছেন, কেন্দ্র দেশের সরকার প্রসাধনী (কসমিক) পদক্ষেপগুলি বেছে নিয়েছে, যার দ্বারা কখনওই ‍‘প্রকৃত সমস্যা’র সমাধান করা যায় না।

মুফতি একটি ট্যুইটে বলেন, ‍‘জুন মাসে জম্মু এবং কাশ্মীরের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আশ্বাসের অনুসরণ করে শাহের সফর শুরু করা উচিত ছিল। জম্মু এবং কাশ্মীরের স্বয়াত্তশাসন প্রসঙ্গে সেই বৈঠকে কোনও আলোচনা না করে মোদী এবং শাহ রাজ্যের নির্বাচন পরিচালনার গুরুত্বের উপর জোর দেন। তাঁরা এই অঞ্চলের রাষ্ট্রীয়তা ফিরিয়ে আনার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন এবং নির্বাচনী এলাকা পুনর্নির্মাণের জন্য চলমান সীমানা নির্ধারণের মহড়ায় অংশ নিতে উপত্যকার নেতাদের প্রতি আহ্বান জানান।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ