Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

যৌনতার হাতছানি! ব্ল্যাকমেল করার অভিযোগে গাজিয়াবাদে গ্রেফতার একাধিক

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

ফেসবুকে অজানা মহিলাদের থেকে বন্ধুত্বের প্রস্তাব এলে সাবধান! কারণ এদের প্রস্তবে সাড়া দিলেই আসবে সেক্স চ্যাটের আহ্বান। আর সেইে পাল্লায় যদি আপনি একবার পা দেন, তাহলেই অসাধু চক্রের কেল্লাফতে। আপনাকে ব্ল্যাকমেল করা শুরু হয়ে যাবে। পুলিশের ভয় দেখানোর পাশাপাশি আপনার নগ্নছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে দেওয়ার হুমকি দিয়ে একের পর এক ফোন আসবে টাকা চেয়ে। সম্প্রতি এই বিষয়ে উঠে এসেছে ভরতপুর গ্যাংয়ের কথা। বেশ কিছু ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হলেও যে এ ধরনের ব্ল্যাকমেলিংয়ে কোনও ছেদ পড়েনি তা বোঝা গেল আবার। শনিবার সংবাদ সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, উত্তর প্রদেশের গাজিয়াবাদে পুলিশ একটি সেক্সটর্শন চক্রের সদস্যদের গ্রেফতার করেছে যারা ‘স্ট্রিপচ্যাটের’ মাধ্যমে মানুষকে ব্ল্যাকমেল করছিল।

গাজিয়াবাদের পুলিশ সুপার (শহর) নিপুন আগরওয়াল জানিয়েছেন, কয়েকজন সন্দেহভাজন নগ্ন ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে মানুষকে ব্ল্যাকমেল করছিল। পুলিশ এই বিষয়ে তদন্ত করে কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। অভিযুক্তদের আটটি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে পুলিশ কর্মকর্তা জানিয়েছেন। নিপুন আগরওয়াল জানিয়েছেন, সেক্সটর্শন (যৌনতার নামে ব্ল্যাকমেল) চক্রের সদস্যরা নগ্ন ভিডিও ক্লিপের মাধ্যমে মানুষকে ব্ল্যাকমেইল করছিল।

উল্লেখ্য, কলকাতাতেও এরকম কিছু সেক্স র্যাযকেটের ব্ল্যাকমেলের খবর সম্প্রতি শিরোনামে এসেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল, টলিউড তারকা হিরণের ব্যক্তিগত সচিবের আত্মহত্যার ঘটনা। এরকম একটি সেক্স র‍্যাকেটের ব্ল্যাকমেলের পাল্লায় পড়ে আত্মঘাতী হন তিনি। কিছুদিন আগে, মুম্বইয়ের পুলিশ যৌন পর্যটন র্যা কেট চালানোর অভিযোগে তিন জনকে গ্রেফতার করে। একজন মহিলা সঙ্গীদের নিয়ে যৌন পর্যটন র‍্যাকেট চালাচ্ছে, এমন খবর পাওয়ার পর মুম্বই বিমানবন্দরের পুলিশ কর্তাদের সঙ্গে গ্রাহক হিসাবে কাজ করার জন্য একটি ফাঁদ পাতে মুম্বই পুলিশ। সেই ফাঁদ অনুযায়ী তিনজন মহিলাকে গ্রেফতার করা হয়। এদের মধ্যে একজন মহিলা গোয়ায় একটি ভ্রমণের আয়োজন করে দু’জন মহিলাকে যৌন কর্মী হিসাবে নিয়ে যাচ্ছিল। পুলিশের মতে, ওই মহিলাকে ২০২০ সালেও অনৈতিক ট্রাফিক (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে গ্রেফতার করা হয়েছিল।


পুলিশ জানিয়েছে, ‍‘মুম্বই বিমানবন্দরে ফাঁদ পাতা হয়েছিল, যেখানে তিনটি মেয়ে একজন অফিসার এবং অন্যদের সঙ্গে দেখা করে। পুলিশ অফিসার ও কর্মীরা গ্রাহক সেজে টোপ ফেলেছিলেন। টাকা এবং বিমানের টিকিট বিনিময়ও করা হয়। এরপর পুলিশ কর্মীদের কাছ থেকে প্রাপ্ত সংকেতের ভিত্তিতে দলটি তিন মহিলাকে গ্রেপ্তার করে। সিআইএসএফ এবং বিমানবন্দর পুলিশের সহায়তায় প্রধান অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা হয়। তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়ার পর অভিযুক্ত নিজের অপরাধ স্বীকার করে। এরপর অভিযুক্তকে একটি আদালতে হাজির করা হলে একদিনের পুলিশ হেফাজত মঞ্জুর হয়।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ