Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

পুজো মণ্ডপে কোরআন রাখার স্বীকারোক্তি ইকবালের

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

‘ভবঘুরে’, ‘মাদকাসক্ত’, ‘মানসিক ভারসাম্যহীন’ ইকবালকে কক্সবাজার থেকে কুমিল্লায় আনা হয়েছে। পুলিশ বলেছে সে ভবঘুরে। এছাড়াও খবরে প্রকাশ সে নাকি মাদকাসক্ত। কিন্তু এখানেই প্রশ্ন উঠে গিয়েছে, একজন ভবঘুরে বা পাগল কি করে সারাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার ফিতা কাটল? কুমিল্লায় মন্দিরে কোরআন শরিফ রাখল? যার ফলে দেশজুড়ে হামলা, আগুন, লুটতরাজ শুরু হয়ে গেল। প্রাণ হারলেন বেশ কিছু সংখ্যালঘু হিন্দু।
এদিন কুমিল্লায় আনার পর পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে নানুয়াদিঘির পাড়ের পুজোমণ্ডপে পবিত্র কোরান শরিফ রাখার কথা স্বীকার করেছেন ইকবাল হোসেন।


শুক্রবার বিকালে কুমিল্লা পুলিশ লাইন্সে জিজ্ঞাসাবাদের সময় এ কথা স্বীকার করেন বলে জানিয়েছেন নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এক কর্মকর্তা। তবে কার নির্দেশে এই সব সে করেছিল, সে সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। তবে পুলিশ কর্তাদের অভিমত একজন মানসিক ভারসাম্যহীন নেশাখোড় ব্যক্তির পক্ষে কারও প্ররোচনা ছাড়া এ কাজ করা সম্ভব নয়।

পাশাপাশি নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক ওই পুলিশকর্তা জানিয়েছেন, ‘মণ্ডপে কোরআন শরিফ রাখার পর হনুমানের মূর্তি থেকে গদা সরিয়ে নেওয়ার কথাও পুলিশকে জানিয়েছেন ইকবাল। তবে কার নির্দেশে এই কাজ করেছেন, তা এখনও জানাননি।’ উল্লেখ্য, ইকবাল নগরের ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর সংলগ্ন দ্বিতীয় মুরাদপুর লস্করপুকুরপাড় এলাকার বাসিন্দা। তার পরিবারের দাবি, ইকবাল কখনও বাসচালকের সহকারী, কখনো রংমিস্ত্রি হিসাবে কাজ করেছে। তবে বিয়ে করেছে দু’টি। প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে পাঁচ বছর আগে তার বিবাহবিচ্ছেদ হয়। সেই সংসারে তার একটি ছেলে আছে। অন্তঃসত্ত্বা অবস্থায় দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে ছেড়ে গিয়েছেন। দ্বিতীয় সংসারে তার একটি মেয়ে আছে। গত শনিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে ইকবালের বাবা নূর আহমেদ আলম, মামা তাইজুল ইসলাম ও ভাই সাফায়েত হোসেনকে পুলিশ নিয়ে আটক করেছে।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ