Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

কুমিল্লার ঘটনায় সিসি টিভি ফুটেজে শনাক্ত অপরাধী

1 min read

।।প্রথম কলকাতা।।

কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে ধর্ম অবমাননায় অভিযুক্ত ব্যক্তি সিসিটিভি ফুটেজে শনাক্ত হয়েছে। পুলিশ আগেই বলেছিল, ওই ব্যক্তিকে গ্রেফতার করতে পারলেই বেরিয়ে আসবে মূল ঘটনা। রাত আড়াইটা থেকে ভোর সাড়ে ৬টার মধ্যে কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরআন রাখা হয় এমনটাই পুলিশ সূত্রে খবর। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে এটাই বোঝা যায় সে সময়ই সরিয়ে নেওয়া হয় হনুমানের হাতে থাকা গদা। গদা নিয়ে চলে যাওয়ার একটি সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করেছে পুলিশ। সিসি টিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছে গিয়েছে, দারোগাবাড়ির মসজিদ থেকে কিছু একটা হাতে নিয়ে বের হচ্ছেন এক যুবক। তার গতিবিধি সুবিধাজনক নয়। এই সন্দেহজনক ব্যক্তি ইকবাল হোসেনকে ইতিমধেই গ্রেফতার করেছে বাংলাদেশ পুলিশ । কুমিল্লার নানুয়া দীঘির উত্তর পাড়ে নির্মিত সেই পূজামণ্ডপে গত ১৩ অক্টোবর ইকবাল হোসেন নামের ওই যুবক পবিত্র কোরআন শরীফ রেখেছিলেন। ঘটনাস্থলের আশপাশের সড়ক ও বাড়িগুলোর সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পরীক্ষা করে ওই যুবককে শনাক্ত করা হয়েছে।

তারপর আরেকটা সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, কুমিল্লার নানুয়াদীঘি অস্থায়ী মণ্ডপের উত্তর-পূর্বদিকের রাস্তায় ঘোরাফেরা করছেন ওই ব্যক্তি। তার কাঁধে ছিল হনুমানের হাতে থাকা গদা। ফুটেজে থাকা ওই ব্যক্তির পরিচয় এরই মধ্যে শনাক্ত করা হয়েছে। দুর্গাপূজোর অষ্টমীর দিনের এই ঘটনাকে ঘিরে গোটা দেশ জুড়ে দাঙ্গার ছবি ধরা পড়ে। বেশ কিছু ভিডিও সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরালও। যা দেখে শিউরে ওঠার মতন অবস্থা।

এএলাকাবাসী সূত্রে খবর , এ ঘটনার সঙ্গে প্রভাবশালী কেউ জড়িত।এই ঘটনা সামনে আসতেই ভাঙচুর করা হয় একের পর মন্ডপ । ভেঙে ফেলা হয় দূর্গা মূর্তি। আগুন জ্বালিয়ে দেওয়া হিন্দুদের বাড়ি। দেশ জুড়ে চলতে থাকে হিংসাত্মক ঘটনা। ঘটনার ১ সপ্তাহ পরে বাংলাদেশের হাসিনা সরকারের পুলিশ ইকবাল হোসেন নামে ওই যুবককে শনাক্ত করেছে। সে কুমিল্লা শহরেরই মুরাদপুর – লস্করপুকুর এলাকার বাসিন্দা বলে জানানো হয়েছে ।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ