Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

পৃথিবী ছাড়ল মহাকাশযান লুসি; সৌরজগতের রহস্য উন্মোচন নাকি দামি কোনো ধাতুর খোঁজ, কেন?

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

বৃহস্পতিগ্রহের কাছে যেসব গ্রহাণু ঘুরে বেড়াচ্ছে, তা পরীক্ষানিরীক্ষা করে দেখতে পৃথিবী ছাড়ল সৌরশক্তি চালিত নাসার নতুন মহাকাশযান লুসি। বলা হচ্ছে, কীভাবে সৌরজগৎ তৈরি হয়েছে সেই রহস্য উম্মোচনে আরেকধাপ এগোতে সাহায্য করবে এই মিশন। ১২ বছর ধরে চলবে এই অভিযান। সম্প্রতি ফ্লোরিডার কেপ ক্যানাভেরাল থেকে এই মহাকাশযানটি উৎক্ষেপণ করা হয়েছে। এ অভিযানের সব কাজ শেষ হবে আনুমানিক ২০৩৩ সালের মার্চে।

অভিযানে সাতটি ট্রোজান (গ্রহাণু) পর্যবেক্ষণ করবে লুসি। ট্রোজান গ্রহাণুদের রঙের ধরণ বেশ বৈচিত্র্যময়, যেমন কেউ লাল রঙের তো কেউ সবুজ, কেউ বা আবার ধূসর। প্রশ্ন হল- কেন এই রঙের পার্থক্য। বলা হচ্ছে সেখানে প্রকৃতপক্ষে কোনো মূল্যবান মৌল বা ধাতু আছে কিনা আদতে তাও দেখবে লুসি। ধারণা করা হচ্ছে সোনা-কোবাল্ট-নিকেল- প্ল্যাটিনাম ইত্যাদি মূল্যবান ধাতু থাকার সম্ভাবনা রয়েছে এসব গ্রহাণুগুলোতে।

তাছাড়া এই অভিযানে মানুষের উৎপত্তি এবং বিবর্তন সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া যাবে বলেও আশা করছে বিজ্ঞানীরা। আর সূর্য থেকে এত দূরে পাড়ি দেওয়া প্রথম সৌরশক্তিচালিত মহাকাশযান লুসি এসময় পাড়ি দেবে ছয়শো কোটি কিলোমিটার পথ, যা একসময় অসম্ভব বলে ভাবা হতো। এই মিশনের পেছনে নাসা ৯৮ কোটি ১০ লাখ ডলার ব্যয় করার পরিকল্পনা করেছে।

জানা গেছে, ২০১৫ সালের সেপ্টেম্বরে লুসি মহাকাশযানের ধারণা নির্বাচন করে নাসা। ২০১৭ সালে এটিকে ১৩তম ‘নতুন আবিষ্কার অভিযান’ হিসেবে নির্বাচন করা হয়। চারটি পর্বে এবং অনেকগুলো ধাপ শেষে তৈরি করা হয়েছে একে। সেখানে যতদিন লুসি সক্রিয় থাকবে, ঘুরে বেড়াবে বিভিন্ন গ্রহাণুর পাশে পাশে, সংগ্রহ করবে বৈজ্ঞানিক গবেষণার জন্য দরকারি সব তথ্য। একটা সময় এটির জীবনক্ষণ শেষ হবে। আর তখনি হারিয়ে যাবে অগণিত গ্রহাণুর ভীড়ে, মহাকাশের বিশালতায়।

News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন প্রথম কলকাতা অ্যাপ