Prothom Kolkata

Popular Bangla News Website

বিরাটের অধিনায়কত্ব নিয়ে কোনও ক্রিকেটারই অভিযোগ করেননি! মিডিয়াকে তুলোধনা বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষের

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ।।

টেস্ট দল, অধিনায়ক কোহলি, সিনিয়র ক্রিকেটার, সাদা বলের ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব – ভারতীয় ক্রিকেট আঙিনায় বেশ কয়েকদিন ধরেই গুজবের অভাব নেই। প্রথমে কোহলির অধিনায়কত্ব ছাড়ার সিদ্ধান্তকে ঘিরে একাধিক জল্পনা ছড়ায়। সেই জল্পনার কিছুটা সত্যি করে আসন্ন বিশ্বকাপের পর ভারতীয় টি-টোয়েন্টি দলের অধিনায়কের পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা নিজেই জানিয়েছেন বিরাট। এরপর জল্পনার চারাগাছ কল্পনার সার, জল পেয়ে মহীরুহতে পরিণত। একাধিক গণমাধ্যমের দায়িত্বহীন প্রচারে বেজায় বিরক্ত বিসিসিআই।

গত কয়েকদিন ধরেই বেশকিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে দাবী করা হয় ওয়ার্ল্ড টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল হারের পরে ভারতীয় দলের কয়েক জন সিনিয়র ক্রিকেটার সরাসরি বিসিসিআই সেক্রেটারি জয় শাহকে ফোন করে বিরাট কোহলির নামে অভিযোগ করেন। এর আগে একই বিষয়ে রবিচন্দ্রন অশ্বিনের নাম উঠে এসেছিল। গত দুদিনে যুক্ত হয়েছে চেতেশ্বর পূজারা ও অজিঙ্কে রাহানের নাম। গণমাধ্যমগুলির দুইয়ে দুইয়ে চার করে সমীকরণ তৈরির মরিয়া প্রয়াসে তীব্র ক্ষোভ জানিয়েছেন বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ অরুণ ধুমল।

অরুণ ধুমল একটি সর্বভারতীয় ইংরাজী সংবাদপত্রকে বলেন – “এই ধরনের প্রতিবেদন একেবারেই ভ্রান্ত। আমি অন রেকর্ড বলছি, কোন ভার‍তীয় ক্রিকেটারই বিরাটের অধিনায়কত্ব নিয়ে বিসিসিআইয়ের কাছে মৌখিক বা লিখিত অভিযোগ করেননি। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড প্রতিটা প্রতিবেদনের পৃথক জবাব দিতে পারবে না। প্রতিদিন গণমাধ্যমের পাতায় ভারতীয় বিশ্বকাপ দল, অধিনায়কত্ব নিয়ে একাধিক মিথ্যা খবর ছাপা হচ্ছে। “

কোহলির অধিনায়কত্ব ছাড়বার প্রসঙ্গে ধুমল বলেন বিসিসিআই এই সংক্রান্ত কোন সিদ্ধান্ত তো দূর, আলোচনাই করেনি। বিরাট ব্যক্তিগতভাবে সিদ্ধান্ত নিয়ে বিসিসিআইকে জানিয়েছে। তখনও গণমাধ্যমের একাংশ ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের ভূমিকা নিয়ে মনগড়া প্রতিবেদন প্রকাশ করেছিল। আজও তাই হচ্ছে। এবার দুজন সিনিয়র ক্রিকেটারকে জড়িয়ে নয়া প্রচার শুরু হয়েছে। বিসিসিআই কোষাধ্যক্ষ আরো জানান এমন অভিযোগের কথা সেক্রেটারি জয় শাহের অফিসও জানে না। এই ধরণের ভিত্তিহীন প্রচারে ভার‍তীয় ক্রিকেটের ক্ষতি হচ্ছে বলে মনে করেন ধূমল। তার মতে অভিজ্ঞ সাংবাদিকরা যদি নিজেদের মতামত জানান তাতে অসুবিধার কিছুই থাকেনা। কিন্তু নিজেদের সিদ্ধান্ত প্রমাণের জন্যে তারা যদি মনগড়া ঘটনার আশ্রয় নেন তাহলে সমস্যা তৈরি হয়।