লাদাখ সীমান্তে রাস্তা নির্মাণের কাজে অবিচল থাকবে ভারত

1 min read

।। প্রথম কলকাতা ডেস্ক ।।

ভারত নিজের নীতিতেই লাদাখ সীমান্তে রাস্তা নির্মাণের কাজে অবিচল থাকবে। আর সেই নীতি ধরে রেখেই এদিন, নয়া দিল্লিতে বর্ডার রোডস অর্গানাইজেশন নিয়ে বৈঠকে বসেন রাজনাথ সিং। লাদাখের সংঘর্ষের আবহেও গালওয়ান নদীর ওপর ব্রিজ লাদাখের সংঘর্ষের আবহেও গালওয়ান নদীর ওপর দিয়ে ভারত ব্রিজ নির্মাণ করছে।

৬০ মিটারের দীর্ঘ এই ব্রিজ নিয়ে বেজিং বাধা দিতে শুরু করে দিল্লিকে। বেজিং দাবি করে এলাকা তাদের। আর পাল্টা জবাবে ভারত তা কিছুতেই মেনে নিতে চাইনি। এরপর সংঘাত। ১৫ জুন সেই সংঘাত রক্তক্ষয়ী রূপ নেয়।

এদিকে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এদিন দিল্লিতে বসে লাদাখে রাস্তা নির্মাণের কাজে কতটা গতি এসেছে, সেই দিকটি খতিয়ে দেখেন। চিনের দাবি চিনের দাবি ছিল, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখার এপারে ভারতের দিকে পরিকাঠামো গড়ে তোলার কাজ বন্ধ রাখা হোক৷ যা মেনে নিতে নারাজ ভারত৷

পাল্টা ভারত সরকারের তরফে বেজিংয়ের কাছে দাবি করা হয়েছে, যাতে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর স্থিতাবস্থা বজায় রাখা হয়৷ এরপরই গতসপ্তাহে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে প্রাণ শহিদ হন ২০ ভারতীয় জওয়ান। সেনার পাল্টা জাবাবে প্রাণ হারায় অন্তত ৪০ চিনা সৈনিকও। ৩৪৪০ কিলোমিটারের এলএসি প্রকৃত নিয়ন্ত্রণ রেখা হল ৩৪৪০ কিলোমিটারের একটা চিহ্নিতকরণ এলাকা।

যার মাধ্যমে ভারতীয় সেনার দখলে থাকা এবং চিনা সেনার দখলে থাকা অঞ্চলকে আলাদা করা হয়৷ যেহেতু এলএসি একাধিক জায়গায় ওভারল্যাপ করে আছে, তাই চিনা নিজেদের অবৈধ দাবি সবসময় জানায়৷ প্রায়শই বিবাদ এবং মুখোমুখি বাদানুবাদ এখানকার সাধারণ ঘটনা৷ এলএসি তিনটি অংশে বিভক্ত৷ পশ্চিম, পূর্ব ও মধ্য৷

২৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবরুক-শিয়ক-ডিবিও রোড ভারতের দিকে গত বছর তৈরি করা ২৫৫ কিলোমিটার দীর্ঘ ডাবরুক-শিয়ক-ডিবিও রোড তৈরি করা নিয়েই চিনের মূল আপত্তি৷ এই রাস্তাটি তৈরির ফলে সীমান্তে ভারতীয় সেনাবাহিনীর যাতায়াত এবং নজরদারি চালানোর ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুবিধে হয়েছে৷ তবে পরপর সংঘর্ষ ও চিনের আপত্তি সত্ত্বেও ভারত এই রাস্তা তৈরির কাজ জারি রাখবে বলে জানা গিয়েছে।