Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/prothomk/public_html/wp-content/themes/MESDNEWS/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

পরিকাঠামোর অভাবে স্কুল ছুট হচ্ছে শহীদের গ্রামের ছাত্রছাত্রীরা

হিমাদ্রি মন্ডল, বীরভূম ; গ্রামের ছেলে শহিদ হওয়ার পর অবশেষে টনক নড়ল বীরভূম জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের। শহিদ রাজেশ ওরাং এর গ্রাম মহম্মদবাজারের বেলগড়িয়ায় গিয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়ক কথা বললেন গ্রামবাসীদের সঙ্গে। শহীদ রাজেশ ওরাং এর কাঁধে ভর করেই বলতে শিখেছে ওরা।

ক্ষুদে স্কুল পড়ূয়াদের কাছে থেকে শুনলেন গ্রামের শিশূ শিক্ষা কেন্দ্র বন্ধ হয়ে যাওয়ায় মেঠোপথে প্রায় দুই কিলোমিটার দূরে শেওড়াকুড়ি হাইস্কুলে গিয়ে লেখাপড়া করতে হয় তাদের।আর অভিভাবকদের বক্তব্য প্রায় ছয় বছর আগে বেলগড়িয়া গ্রামে তখন প্রয়োজনের তুলনায় মাত্র দুজন পড়ুয়া কম হওয়ায় সরকার শিশু শিক্ষা কেন্দ্র বন্ধ করে দেয়। বারবার প্রশাসনের দ্বারস্ত হয়েও লাভ হয়নি।

তারা বলেন শেওড়াকুরিতে ছোটো ছোটো ছেলেমেয়েদের স্কুলে পাঠিয়ে তারা চিন্তিত থাকেন। কারণ বর্ষায় মাঠের আলপথে যেতে হয়। সাপের ভিয়, আবার গ্রীস্মকালে কুকুর তাড়া করে। ছেলেমেয়েরা ভয়ে স্কুলে যেতে চাইনা।জেলা প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের চেয়ারম্যান প্রলয় নায়ক দ্রুত যাতে শিশু শিক্ষা কেন্দ্রটি খোলা যায় তার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। পাশাপাশি যতদিন স্কুল বন্ধ রয়েছে ততদিন সপ্তাহে দুজন শিক্ষক শহিদের গ্রামে গিয়ে শিশুদের পড়াশোনার খোঁজখবর নেয় তার নির্দেশ দেন।

প্রসঙ্গত ভারত চীন যুদ্ধে শহিদ হয়েছেন বেলগড়িয়ার যুবক রাজেশ ওরাং। তার পরিবারের হাতে তৃণমূলের শিক্ষিক সংগঠন ২৫ হাজার টাকার চেক তুলে দেয়।এদিকে রাজেশ শহিদ হওয়ার পরই ওই গ্রামের দিকে নজর পরে প্রশাসনিক কর্তাদের। রাস্তার বেহাল অবস্থা, প্রাথমিকের স্কুল নেই। এখিন সবাই আস্বাস দিচ্ছেন উন্নয়নের। বাস্তবায়িত কবে হবে সেদিকেই তাকিয়ে আছেন বেলগড়িয়াবাসী।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *