টোটো বিস্ফোরণকাণ্ডে এল সেন্ট্রাল ফরেনসিক দল

।। প্রথম কলকাতা, মালদা ।।

অবশেষে টোটো বিস্ফোরণকাণ্ডের ৫ দিনের মাথায় মালদায় তদন্তে এল সেন্ট্রাল ফরেনসিক দলের দুই বিশেষজ্ঞ আধিকারিক। রবিবার সকালে সেন্ট্রাল ফরেনসিক দলের দুই কর্তা মালদা শহরের ঘোড়াপীর  ঘোষপাড়া এলাকায় বিস্ফোরণকাণ্ডের ঘটনাস্থলে পৌঁছায় । ওই দুই বিশেষজ্ঞ আধিকারিকের সঙ্গে ছিলেন মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তারা।

এদিন ফরেনসিক দলের ওই কর্তারা বিস্ফোরণ স্থলে গিয়ে টোটোর ব্যাটারি, মৃত চালকের শরীরের মাংসপিন্ডের টুকরো সহ বেশ কিছু নমুনা সংগ্রহ করেন। সেগুলি প্লাস্টিকে বন্দী করার পাশাপাশি বিস্ফোরণের পর আশেপাশের পরিবেশের কি অবস্থা তৈরি হয়েছিল তারও তদারকি করেন সেন্ট্রাল ফরেনসিক দলের দুই কর্তা । এমনকি পুলিশকর্তাদের মাধ্যমে এলাকার মানুষের কাছ থেকেও বেশ কিছু তথ্য সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।

রবিবার সকাল ১১ টা নাগাদ মালদার পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া সহ জেলা পুলিশের পদস্থ কর্তাদের উপস্থিতিতেই সেন্ট্রাল ফরেনসিক বিশেষজ্ঞ দুই আধিকারিক এদিন ঘোড়াপীর এলাকার ঘোষপাড়ায় যায়। যেখানে গত বুধবার বিকালে টোটো বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছিল।

এই বিস্ফোরণে ইসমাইল শেখ (৩০) নামে এক যুবকের ব্যক্তির মৃত্যু হয় । এই ব্যক্তি টোটো চালক ছিলেন । তার দেহ ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়। ওই টোটোতে বেশ কিছু প্লাইউডের সরঞ্জাম সহ আঠা, রং মজুত ছিল । যেগুলো নিয়ে মালদা শহরের বাগবাড়ি থেকেই মধুঘাট যাচ্ছিলেন ওই টোটো চালক । কিন্তু বাগবাড়ি থেকে ঘোড়াপীর আসার সময় রাজ্য সড়কের ওপরে বিস্ফোরণে ছিন্নভিন্ন হয়ে যায় টোটো চালকের দেহ এবং গাড়িটি ।এরপরই ইংরেজবাজার থানার পুলিশ এসে ওই এলাকাটি ঘিরে রাখে। এই ঘটনার পাঁচ দিনের মাথায় অবশেষে সেন্ট্রাল ফরেনসিক দলের দুই আধিকারিক তদন্তে আসেন। বিস্ফোরণকাণ্ডের পর ঘটনাস্থল থেকে বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন ফরেনসিক দলের বিশেষজ্ঞ আধিকারিকেরা।

পুলিশ সুপার অলোক রাজোরিয়া জানিয়েছেন, টোটো বিস্ফোরণকাণ্ডে নিয়ে তদন্ত চলছে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছে ব্যাটারি থেকেই এই বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটেছে। তবে এদিন সেন্ট্রাল ফরেনসিক টিমের দুই বিশেষজ্ঞ অফিসারেরা এসেছেন। তারা বিভিন্ন ধরনের নমুনা সংগ্রহ করেছেন। তাদের রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই বিস্ফোরণের ঘটনা সম্পর্কে বিশদভাবে বলা যাবে। তার আগে এখনো পর্যন্ত প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছে ব্যাটারির থেকেই টোটো বিস্ফোরণের ঘটনাটি ঘটে থাকতে পারে।

এম/বি