Warning: sprintf(): Too few arguments in /home/prothomk/public_html/wp-content/themes/MESDNEWS/lib/breadcrumb-trail/inc/breadcrumbs.php on line 254

কতটা ক্ষতি টিকটকের? ব্যবহারকারীদের জন্য বিকল্প কি?

।। নয়ন ঘোষ ।।

ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে টিকটক। মনখারাপ ব্যবহারকারীদের। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বর মাসে বিশ্বজুড়ে লঞ্চ করে টিকটক। তারপর থেকে ক্রমাগত বৃদ্ধি পেয়েছে এই অ্যাপটির জনপ্রিয়তা। ঝাং ইয়িমিং এই সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। ঝাং ইয়িমিং ২০১২ সালে বাইটড্যান্স নামে একটি অ্যাপ লঞ্চ করেন। পরবর্তী ক্ষেত্রে যা বিশ্বের কাছে টিকটক হিসেবে জনপ্রিয়তা লাভ করে।

চাইনিজ এই শর্ট ভিডিও প্ল্যাটফর্মটির ভারতের দায়িত্বে ছিলেন নিখিল গান্ধি। ২০১৯ সালে তাঁর হাতে টিকটক ইন্ডিয়ার দায়িত্ব আসে। টিকটকের দায়িত্ব নেওয়ার আগে নিখিল গান্ধি একটি জাতীয় সংবাদ সংস্থার উচ্চপদে কর্মরত ছিলেন। ব্যান হওয়ার আগে পর্যন্ত ভারতে ২০০ মিলিয়ন টিকটক ইউজার ছিলেন। প্রতিমাসের হিসেবে অ্যাক্টিভ ইউজারের সেই সংখ্যা ছিল ১২০ মিলিয়ন।

কিন্তু অনেকের মধ্যেই একটা প্রশ্ন জাগতে পারে, ঝাং ইয়িমিংয়ের সংস্থা টিকটক কিভাবে অর্থ উপার্জন করে। প্রধানত এই অ্যাপ্লিকেশনটি ডিজিটাল কয়েন বিনিময়ের মাধ্যমে অ্যাপ্লিকেশন ক্রয়ের ব্যবস্থা করে। এই কয়েনগুলি ১০০ থেকে শুরু করে ১০ হাজার পর্যন্ত হয়। ব্যবহারকারীরা তাদের বন্ধুদের বা প্রিয় নির্মাতাদের এই কয়েনগুলি উপহার দিতে পারেন। এছাড়াও, এই মুদ্রাগুলি ডিজিটাল উপহারে বিনিময় করা যায়। এই পন্থাতেই টিকটক সংস্থা এবং ভিডিও নির্মাতারা অর্থ উপার্জন করেন।

এখন প্রশ্ন টিকটক বন্ধ হওয়ার ফলে কতটা ক্ষতি হচ্ছে বাইটড্যান্স সংস্থার? জানা যাচ্ছে, বাইটড্যান্স সংস্থার টিকটক ছাড়াও আরও ২টি অ্যাপ ভারতে নিষিদ্ধ হয়েছে। যার ফলে সংস্থাটি সব মিলিয়ে কমপক্ষে ৬ বিলিয়ন ডলার ক্ষতির আশঙ্কা করছে। বাইটডান্সের সাম্প্রতিক রিপোর্টে বলা হয়েছে, চিনের বাইরে যে যে দেশে টিকটকের ভালো ব্যবসা হচ্ছিল তার মধ্যে অন্যতম হল ভারত।

চলতি বছরের প্রথম ৩ মাসে ভারতে টিকটক অ্যাপটি ৬১১ মিলিয়ন সংখ্যক ডাউনলোড হয়েছে, যা সারা বিশ্বের মোট ডাউনলোডের ৩০.৩% এর কাছাকাছি।এদিকে ভারতে টিকটক সহ বাইটডান্স সংস্থার ৩টি জনপ্রিয় অ্যাপ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বহু ভারতীয়ও কাজ হারানোর মুখে। কারণ এই সংস্থার অধীনে এদেশে ২ হাজারেরও বেশি কর্মী কাজ করতেন।

টিকটক ক্রিয়েটরদের নিয়ে বা টিকটকের ভিডিও নিয়ে অনেক অভিযোগ থাকলেও, অনেক ইউজার বা ক্রিয়েটর নিজেদের ভিডিওর মাধ্যমে সামাজিক বার্তাও দিতেন। এখন প্রশ্ন তাঁরা এবার কি করবেন? ভারতে টিকটক ব্যান হওয়ার পরে সেই জায়গা পূরণ করতে হাজির “চিঙ্গারি” অ্যাপ। মাত্র ২২ দিনের মধ্যে গুগল প্লে স্টোর থেকে ১ কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে এই অ্যাপ।

তাছাড়াও রোপোসো ও মিত্রো অ্যাপও খুব অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ২০১৪ সালের রোপোসো অ্যাপ ইতিমধ্যেই প্লে স্টোর থেকে ৫ কোটি বার ডাউনলোড হয়েছে। চলতি বছরের এপ্রিলে লঞ্চ হয়েছিল মিত্রো অ্যাপ। সেটিই ১ কোটি বারের বেশি ডাউনলোড হয়েছে।

এম/বি